আন্তর্জাতিক
ইসরাইলের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন চললে দ্বিতীয় দফা চুক্তি নয়: হামাসের হুঁশিয়ারি

সংগৃহীত
গাজায় প্রথম দফা যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়নে ইসরাইল ব্যর্থ হলে দ্বিতীয় দফা চুক্তিতে যেতে রাজি নয়—এমন সতর্কতা দিয়েছে হামাস। মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর কাছে প্রথম পর্যায়ের শর্তসমূহ কঠোরভাবে প্রয়োগে ইসরাইলকে চাপ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী এই সংগঠন। খবর—টিআরটি ওয়ার্ল্ড।
মঙ্গলবার হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য হোসাম বাদরান বলেন, ইসরাইল যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্ত অমান্য করছে। তাদের উচিত ছিল রাফাহ ক্রসিং পুনরায় চালু করা এবং গাজায় ত্রাণ প্রবেশে আর কোনো বাধা না দেওয়া। তিনি বলেন, “ইসরাইল চুক্তিকে সম্মান না করলে দ্বিতীয় দফা যুদ্ধবিরতি সম্ভব নয়।”
বাদরান মার্কিন নেতৃত্বাধীন মধ্যস্থতাকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রথম দফা যুদ্ধবিরতি চুক্তি সম্পূর্ণ বাস্তবায়নে ইসরাইলের ওপর চাপ বাড়াতে হবে। তিনি অভিযোগ করেন, ১০ অক্টোবর থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও ইসরাইল নিয়মিতভাবে তা লঙ্ঘন করছে।
অন্যদিকে, এক ইসরাইলি কর্মকর্তা জানান, জর্ডান ও অধিকৃত পশ্চিম তীরের মধ্যবর্তী ইসরাইলি নিয়ন্ত্রিত সীমান্ত অ্যালেনবি ক্রসিং বুধবার পুনরায় চালুর অনুমতি দেওয়া হবে, যাতে গাজায় অতিরিক্ত ত্রাণবাহী ট্রাক পাঠানো যায়। প্রথম দফা চুক্তি অনুযায়ী বন্দি বিনিময়ের পাশাপাশি আরও বেশি পরিমাণ মানবিক সহায়তা গাজায় প্রবেশ করার কথা।
ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, তিনি দ্বিতীয় পর্যায়ের চুক্তির দ্রুত সূচনা আশা করছেন। তবে হামাস নেতা বাদরান স্পষ্ট করে বলেছেন, “যতক্ষণ দখলদার ইসরাইল যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন চালিয়ে যাবে, নতুন কোনো চুক্তি হবে না।”
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইসরাইলি আগ্রাসনে এখন পর্যন্ত অন্তত ৭০ হাজার ৩৬৬ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।







